১৬ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহন চলছে, ভোটারদের উপস্থিতি কম অমিক্রন প্রতিরোধে বেনাপোল ইমিগ্রেশন উদাসীন ! “৮ মাসের শিশু” অপহরণের ৭২ ঘন্টার মধ্যে ঢাকার উত্তরা থেকে উদ্ধার অনলাইন নয়, জবিতে ক্লাস চলবে সশরীরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মিছিল ও জনসংযোগ করেন সাপাহার মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন : সভাপতি মনিরুল, সম্পাদক নিখিল মাদারীপুরে প্রধান শিক্ষিকার নামে অনিয়মের অভিযোগ!! ব্যবস্থা নিচ্ছেনা স্থানীয় প্রশাসন শার্শা সদর ইউনিয়নে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্বভার গ্রহন ঢাবিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান জনপ্রতিনিধিরা জনগনের নিকট দায়বদ্ধ – আনোয়ার হোসেন
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> অপরাধ >> এক্সক্লসিভ >> ছবি ঘর >> টপ নিউজ >> লিড
  • নিজেদেরকে প্রভাবশালী দলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয় কিশোর গ্যাং
  • নিজেদেরকে প্রভাবশালী দলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয় কিশোর গ্যাং

    নগরির গলাচিপ মাসদাইর ঘোষের বাগ ও মিস্ত্রী বাগ তালা ফ্যাক্টরি বেগম রোকেয়া স্কুলের উল্টোপাশে এ্যাপার্টমেন্টে ভোলাইল-দেওভোগ বেকারির মোড়ে গলাচিপার মোড়ে চলছে মাদকের রমরমা বাণিজ্য,গলাচিপার কিছু উঠতি বয়সি যুবক যারা নিজেদেরকে প্রভাবশালী দলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে তাদের মাধ্যমে এ মাদক ব্যবসা তবে এদের মূল হোতা হচ্ছে অন্য কেউ, গোপন সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।

    সূত্রে জানা যায়,ফতুল্লা থানাধীন দক্ষিণ মাসদাইর ঘোষের বাগ ও মিস্ত্রী বাগ গলাচিপাসহ চলছে মাদকের বাণিজ্য। প্রবাস ফেরত জাহাঙ্গীর আলমের বড় ছেলে সাব্বির আহমেদ প্রায় ৪/৫ বছর দেশের বাইরে থাকার পর দেশে এসে বেকার হয়ে পড়ে। তার পিতার আর্থিক অবস্থা ভালো হওয়ার কারণে পরিবার নিয়ে তার কোন চাপ ছিল না। এভাব একপর্যায়ে সে ফেন্সিডিল ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে। এলাকায় সর্বক্ষণ সে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করত। তার রয়েছে একটি কিশোর গ্যাং। যাদের মাধ্যমে সে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াত এবং এলাকাবাসী সবসময় তার ভয়ে আতংকিত থাকত। যার ফলে এলাকাবাসী ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পেত না।

    সাব্বিরের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম মামলা ফতুল্লা থানা পুলিশের হাত থেকে মাদক সহ হাবিবকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় মাদক ব্যবসায়ী সাব্বির পুলিশের গাড়িতে হামলা করে। এ নিয়ে পুলিশ বাদি একটি মামলা দায়ের করে।

    পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে তার বিরুদ্ধে ফেন্সিডিল বিক্রয়ের আরেকটা মামলা দেয়। বেশ কিছু দিন আগে র‍্যাবের একটি টিম মাসদাইরের একটি গ্যারেজের মাটি খুড়ে দুই বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করে। আসামিকে পাওয়া যায় নি। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।

    এলাকাবাসী তার ভয়ে কিছু বলে না কারণ তার বাপের টাকা দাপট আর ছেলের আছে সাব্বিরের আছে মাদকের জমজমাট ব্যবসা।ওতপ্রোতোভাবে জড়িয়ে পড়ে। এরফলে বিভিন্ন সময় তাকে পুলিশ গ্রেফতার করার চেষ্টা করে সেই সময় গ্রেফতার এড়ানোর জন্য তার পিতা জাহাঙ্গীর আলমকে কয়েকধাপে মোটা অংকের টাকা খরচ করে ধামাচাপা দিয়ে রাখে কিন্তু তবু সে তার মাদক ব্যবসা বন্ধ করেনি। এক পর্যায়ে পুলিশের হাত থেকে নিজেকে ছেলেকে রক্ষা করতে সে গাঢাকা দেয়।

    তবে গোপন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সাব্বীর মাসদইর গুদারা ঘাট মিস্ত্রি বাগ ঘোষের বাগ গলাচিপা তার কিছু মিসুক চালক আর সহ যোগি ইথুন তামিম আরিফের মোতো কিছু ছোলজার তাদের দিয়ে ফোনের মাধমে বিভিন্ন সেল করে।তার শ্বশুড় বাড়ি গলাচিপা কুড়ি পাড়া অত্র এলাকার কিছু উঠতি বয়সি যুবকদের দিয়ে তার ফেন্সিডিল ব্যবসা পরিচালনা করছে তার শ্বশড়ের নাম ইউসুফ জামতলার কোন একটি গ্যারেজে প্রাইভেট গাড়ির সিট মিস্ত্রি।এছাড়াও সাব্বির বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাদের সাথে ছবি তুলে ব্যানার ফেষ্টুন লাগিয়ে নিজেকে রাজনৈতিক নেতা পরিচয় দিতো।

    সাব্বিরের পিতা জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলো। সাব্বিরও প্রায় ৫/৬ বছর দেশের বাইরে ছিলো। পরবর্তীতে দেশে এসেই সে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে যার সাথে সংসার করছে সে তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার আর এক সহযোগীর নাম পরিচয়দানকারী,মাদকের গডফাদার সাব্বির পিত জাহাগির আলম,রাকিব,পিতা শংকর মুহুরী,বাপ্পি, পিতা চিটার শাহাআলম,ইথুন,পিতা মৃত আয়নাল হক,তামিম,পিতা, সাইদ আহমেদ, মুন্না,পিতা মোতালেব মিয়া, আরিফ,সহ অজ্ঞাত আরো অনেকেই। বর্তমানে সে কয়েকটি এলাকায় ফেন্সিডিল ইয়াবা গাজা বিক্রি করছে গোপন সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে।নতুন রুপে কিশোর গ্যাং এর নেতৃত্বে চলছে। এর ফলে অত্র এলাকা সহ আশপাশের এলাকার যুব সমাজ এখন ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে।

    এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, তাদের এ কর্মকান্ডের ফলে আমাদের সন্তানেরা এখন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এমনকি যুবকরা সহ অনেক মাঝ বয়সি লোকেরা নেশার টাকা জোগাড় করতে চুরি, ছিনতাই,পকেটমার সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। যদি প্রশাসন অতিসত্বর তাদের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নেয় তাহলে হয়তো সেই দিন বেশী দূরে নেই যেদিন নেশার জন্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সহ খুনও হতে পারে।

    আরও পড়ুন