১৬ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহন চলছে, ভোটারদের উপস্থিতি কম অমিক্রন প্রতিরোধে বেনাপোল ইমিগ্রেশন উদাসীন ! “৮ মাসের শিশু” অপহরণের ৭২ ঘন্টার মধ্যে ঢাকার উত্তরা থেকে উদ্ধার অনলাইন নয়, জবিতে ক্লাস চলবে সশরীরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মিছিল ও জনসংযোগ করেন সাপাহার মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন : সভাপতি মনিরুল, সম্পাদক নিখিল মাদারীপুরে প্রধান শিক্ষিকার নামে অনিয়মের অভিযোগ!! ব্যবস্থা নিচ্ছেনা স্থানীয় প্রশাসন শার্শা সদর ইউনিয়নে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্বভার গ্রহন ঢাবিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান জনপ্রতিনিধিরা জনগনের নিকট দায়বদ্ধ – আনোয়ার হোসেন
  • প্রচ্ছদ
  • অর্থনীতি >> জাতীয় >> টপ নিউজ
  • ঢাকাবাসীকে ৫০ কোটি লিটার মেঘনা থেকে পানি তুলে দিবে ওয়াসা
  • ঢাকাবাসীকে ৫০ কোটি লিটার মেঘনা থেকে পানি তুলে দিবে ওয়াসা

    মেঘনা নদীর স্বচ্ছ পানিপ্রবাহ থেকে ঢাকাবাসী পাবে ৫০ কোটি লিটার পানি। দুষণে আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যার শোধন করা পানির চেয়ে ওয়াসার এই পানি হবে সুপেয় ও মানসম্পন্ন। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের ৩০ ভাগের বেশি কাজ শেষ হয়েছে।

    চারশ বর্গকিলোমিটারের রাজধানী ঢাকার দেড় কোটি মানুষের জন্য পানি সরবরাহ করে ওয়াসা। প্রায় ২৮০ কোটি লিটার পানির চাহিদা মেটায় তারা। ভূর্গভের পাশাপাশি এই পানির অন্যতম উৎস নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী। তবে দুষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এই নদীর পানি শোধন করে মান বজায় রাখা এখন অনেকটা কঠিন। এ অবস্থায় মেঘনা নদীর বিশনন্দী থেকে পানি উত্তোলন করে রাজধানীবাসীকে মানসম্পন্ন পানি দিতে চায় ওয়াসা।

    এ নিয়ে ওয়াসার ৮ হাজার ১৫১ কোটি টাকার সাসটেইনবেল ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি দেখতে নির্মাণাধীন গন্ধবপুর ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। এসময় তিনি জানান, আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ হবে প্রকল্পটির কাজ। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রাজধানীবাসীর জন্য নিশ্চিত করবে মানসম্পন্ন পানি।

    অন্যদিকে রাজধানীবাসীর সুপেয়ে পানির চাহিদা বাড়ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রতিদিন ৫০ কোটি লিটার পানির সরবরাহ বাড়বে। ট্রিটমেন্ট প্লান্টের পাশাপাশি সংযোগ লাইন তৈরির কাজও চলবে বলে জানান মন্ত্রী। যাতে ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ শেষ হলেই এর সুবিধা পায় ভোক্তারা।

    সরকারের পাশাপাশি প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে এডিবি, ফ্রান্স ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি ও ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক।

    আরও পড়ুন