১৬ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহন চলছে, ভোটারদের উপস্থিতি কম অমিক্রন প্রতিরোধে বেনাপোল ইমিগ্রেশন উদাসীন ! “৮ মাসের শিশু” অপহরণের ৭২ ঘন্টার মধ্যে ঢাকার উত্তরা থেকে উদ্ধার অনলাইন নয়, জবিতে ক্লাস চলবে সশরীরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মিছিল ও জনসংযোগ করেন সাপাহার মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন : সভাপতি মনিরুল, সম্পাদক নিখিল মাদারীপুরে প্রধান শিক্ষিকার নামে অনিয়মের অভিযোগ!! ব্যবস্থা নিচ্ছেনা স্থানীয় প্রশাসন শার্শা সদর ইউনিয়নে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্বভার গ্রহন ঢাবিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান জনপ্রতিনিধিরা জনগনের নিকট দায়বদ্ধ – আনোয়ার হোসেন
  • প্রচ্ছদ
  • অপরাধ >> আইন আদালত >> চট্টগ্রাম >> ছবি ঘর >> টপ নিউজ >> দেশজুড়ে
  • স্বামী খুনের আলোচিত মামলা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  • স্বামী খুনের আলোচিত মামলা, স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    ফেনীর বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী কায়সার মাহমুদ হত্যা মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ ড. জেবুননেছা। রায়ের সময় একমাত্র আসামি নিহতের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার নাদিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ জানান, গত সোমবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে জেলা ও দায়রা জজ ড. জেবুন্নেছা আজ এই রায়ের দিন ধার্য করেন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান কবির বেঙ্গল।

    জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আলতাফ হোসেন জানান, ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রামপুর সওদাগর বাড়ির প্রফেসর আবুল খায়েরের ছেলে কায়সার মাহমুদের সঙ্গে আনন্দপুর ইউনিয়নের বন্দুয়া দৌলতপুর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে শাহনাজ নাদিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর তাদের মধ্যে মনমালিন্য দেখা দেয়। ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ শাহনাজ নাদিয়া কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন লতিফ টাওয়ারে তার বাবার বাসায় বেড়াতে যায়। ১১ এপ্রিল বিকালে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর জন্য কায়সারদের বাসায় আসে। কায়সারসহ নাদিয়া ডাক্তার দেখানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। পরে আর কায়সারের বাসায় ফেরা হয়নি। ওইদিন রাতেই খুন হন কায়সার।

    ময়নাতদন্ত শেষে ১২ এপ্রিল দুপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ওইদিন রাতে তার বাবা প্রফেসর আবুল খায়ের বাদী হয়ে শাহনাজ নাদিয়া ও তাদের বাড়ির মো. হারুনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আলমগীর হোসেন বাসা থেকে শাহনাজ নাদিয়াকে গ্রেপ্তার করেন। ১৩ এপ্রিল বিকালে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে কায়সারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন শাহনাজ নাদিয়া। তিনি কায়সারকে একাই হত্যা করেছেন বলে আদালতে জানান।

    আরও পড়ুন