২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
আল্লামা সৈয়দ ফজলুল করিম রহ. জীবন ও কর্মশীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চিরিরবন্দর উপজেলায় নির্বাচিত ও সম্ভাব্য নারীপ্রতিনিধিগণের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব নারায়ণগঞ্জ এর পক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা ভেনেজুয়েলার এক মা নিজে মূত্রপান,সন্তানদের স্তন্যপান করিয়ে মাঝ সমুদ্রে মারা গেলেন ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব : তামিম ইকবাল বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন বিজয় শেখ হাসিনা ও মনমোহন সিংয়ের আপত্তিকর ছবি পোস্ট করায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ৭ বছরের কারাদণ্ড জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন মাতালো দক্ষিণ কোরিয়ান বয় ব্যান্ডের বিটিএস রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুল্লি থেকে পড়ে একজন মারাত্মক আহত,নিহত ২ রবি চৌধুরী ফেসবুকে ইভার বিয়ের পোস্ট ইভা রহমান এখন ইভা আরমান
  • প্রচ্ছদ
  • আওয়ামীলীগ >> ছবি ঘর >> টপ নিউজ >> ঢাকা >> দেশজুড়ে >> মহানগর >> রাজনীতি
  • বিতর্কিতদের নিয়েই চলছে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবকলীগ
  • বিতর্কিতদের নিয়েই চলছে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবকলীগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বিতর্কিতদের নিয়েই গড়ে তোলা হয়েছে যেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ মহানগর উত্তরের কমিটি। গত সন্মেলনে মহানগর উত্তরের সভাপতির দায়িত্ব পান ইসহাক মিয়া। যিনি অতীতে কখনও স্বেচ্ছাসেবকলীগের কোন পদে ছিলেন না। ছাত্রলীগের সাবেক মহানগর সভাপতি থেকে হয়ে যান স্বেচ্ছাসেবকলীগের মহানগর উত্তরের সভাপতি।

    অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক হন বহুল বিতর্কিত কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈম ওরফে টয়লেট নাঈম। যিনি দখলের জন্য দেশ জুড়ে বিখ্যাত। তার হাত থেকে রক্ষা পায় না এমন কি টয়লেটও। তাই তার নাম দেওয়া হয়েছে টয়লেট নাঈম। কেসিনো বিরোধী অভিযানেও তার নাম উঠে এসেছিল। অভিযোগ রয়েছে আরেক সাবেক কাউন্সিলর, যার বিরুদ্ধে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারীতে জড়িত থাকার অভিযোগের কারণে কাউন্সিলরে দলীয় মনোনয়ন পান নি, তিনি আওয়ামীলীগের এক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের আত্নীয় হওয়ার সুবাদে তদবীর করে নাঈমের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাসেবকলীগ মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক পদ দিয়ে দেন। যদিও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার বহু আগে থেকেই টয়লেট নাঈমের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। নিজের বিয়ের সময় আইনের তোয়াক্কা না করে গুলি ফুটিয়ে ভাইরাল হন। এমন কি প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে অস্ত্রসহ গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আটক হলেও, প্রভাব বিস্তার করে তার থেকেও রক্ষা পান। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার পর আনিছুর রহমান নাঈম (৩৮) যেন আলাদিনের চেরাগ পেয়ে যান। একসময় হাটে সবজি ও মাছ বিক্রেতা এখন কোটি কোটি টাকা এবং গাড়ি-বাড়ির মালিক। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করেই তিনি সম্পদশালী হয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।বিমানবন্দর, কাওলা, শিয়ালডাঙ্গা ও গাওয়াইরসহ আশপাশের এলাকায় দখল ও চাঁদাবাজির জন্য রয়েছে নাঈমের নিজস্ব বাহিনী। তারা এলাকায় ‘নাঈম খলিফা’ হিসেবে পরিচিত।

    পাবলিক টয়লেট, বিমানবন্দর মোড়ের মসজিদ কমপ্লেক্স, ফুটপাত, রাস্তা, সাইনবোর্ড, খাসজমি ও সাধারণ মানুষের জমি দখল কোনো কিছুই যেন বাদ যাচ্ছে না তার থাবা থেকে। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত গবেষক ড. হারুনার রশিদ অভিযোগ করেন, তার জমিতে বাউন্ডারি দিতে গেলে সশস্ত্র লোকজন নিয়ে বাধা দেন কাউন্সিলর নাঈম।বলেন, এই জমিতে তাদের অংশ আছে। পরে রাতের আঁধারে পুরো জমি দখলে নেন। এরপর নামমাত্র মূল্যে জমিটি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন নাঈম। এক পর্যায়ে মাত্র ৯০ লাখ টাকায় জমিটি দিতে রাজি হন কৃষি গবেষক হারুনার রশিদ। ২৫ লাখ টাকা দিয়ে জমিটি বায়না দলিল করে নেন নাঈম। এরপর থেকে আর কোনো টাকা দেননি। এমনকি জমিটি রেজিস্ট্রিও করেননি।

    মিনারা বেগম নামে এক নারী অভিযোগ করেন, তার স্বামী কাওলা এলাকায় ৬২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেই জমিটি দখলে নিয়েছেন নাঈম। স্বামীর শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে মিনারা বেগম এখন পাগলপ্রায়।

    রোকেয়া বেগম নামে এক বৃদ্ধা অভিযোগ করেন, তার জমি দখল করে ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন কাউন্সিলর নাঈম। বাড়িটি হোয়াইট হাউজ নামে পরিচিত।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, নাঈম ও তার পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দর গোলচত্বরের পূর্ব পাশের বাবুস সালাম মসজিদ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মার্কেট দখল করে নিয়েছেন। এ নিয়ে বিরোধে নাঈম বাহিনীর হামলায় তিন নারীসহ চারজন আহত হন। এ ছাড়া মসজিদ কমপ্লেক্স দখল করায় আদালতে মামলা করেছেন বাবুস সালাম ওয়াক্ফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লি সৈয়দ মোস্তফা হোসেন। এতে কাউন্সিলর নাঈম ছাড়াও মোতালেব মুন্সী, আনিছুর রহমান ও মামুন সরকারকে আসামি করা হয়েছে। মসজিদ দখল নিয়ে স্থানীয়রা বলছেন, মসজিদে দান ও মার্কেট থেকে মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো আয় হয়। নাঈম জোর করে দোকানগুলোর ভাড়া নিয়ে যান। কমপ্লেক্সের টাকা ইচ্ছেমতো ব্যয় করেন। তিনি কারো কাছে জবাবদিহি করেন না।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, নাঈম ও তার লোকজন কিছুদিন আগে স্থানীয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা স্কুল ও কলেজের পাশের মাঠে তাঁতমেলার নামে মেলা বসিয়ে জুয়ার আসর চালাতেন। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর মেলা বন্ধ করে সেখানে মাছ, সবজি ও ফলের বাজার বসানো হয়েছে। প্রতিটি দোকান থেকে ৮-১০ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে দৈনিক হিসেবে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

    তারা আরো জানায়, নাঈম ও তার লোকেরা সম্প্রতি আশকোনায় নির্মাণাধীন র্যাব কার্যালয়ের পাশে একটি লেক দখল করতে যান। প্রথমে মাছ চাষের কথা বলে সেখানে ঘর তৈরির চেষ্টা করেন তারা। পরে র্যাবের লোকজন নাঈমকে ডেকে নিয়ে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেন।
    এলাকাবাসীর দাবি, কাওলা এলাকায় আশিয়ান সিটির প্রবেশমুখের কাছে প্রায় পাঁচ বিঘা জমি দখল করেছেন নাঈম ও তার লোকজন। সেখানে অবৈধ বাস টার্মিনাল ও রিকশা গ্যারেজ করে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। কাউন্সিলরের কার্যালয়ও করা হয়েছে সেখানে।

    এ ছাড়া কাওলাবাজার এলাকাতেও নাঈমের একটি কার্যালয় রয়েছে। কাওলা সিভিল এভিয়েশন স্টাফ কোয়ার্টারে সংস্কার-নির্মাণকাজসহ যেকোনো ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে ‘নাঈম বাহিনী’। তারা ঢাকা কাস্টম হাউজেরও কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। যার থেকে তাদের বিশাল অর্থ আসে।
    এ তো গেল সাধারণ সম্পাদক নাঈমের আমলনামা। সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন ইসহাক মিয়াও। কোরবানীর হাট থেকে শুরু করে রাস্তার কাজ, সব কিছুতেই রয়েছে ইসহাক মিয়া। কিন্তু, টাকা আয়ের এই সকল বিষয়ে যতোটা না ইসহাক মিয়া বিতর্কিত, তার চেয়ে বহুগুন বেশী বিতর্কিত হচ্ছেন কমিটি বাণিজ্যের মাধ্যমে। নানা বিতর্কিতদের পুনর্বাসনের দায়িত্বই যেন নিয়েছেন ইসহাক মিয়া।

    ২০০৭ সালে পল্টন থানায় ডাকাতি মামলা, ২০১৫ সালে টাঙ্গাইলে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার একাধিক হত্যা মামলার আসামি আফজাল খান সুমন ওরফে চাংখা সুমন (কিলার সুমন)। শীর্ষ সন্ত্রাসী সুইডেন আসলাম গ্রেফতার হওয়ার পর তার সমস্ত কালেকশন করত এই কিলার সুমন। বর্তমানে সুইডেন আসলামের বউয়ের নির্দেশনায় কোর্টে যাওয়া, জেল গেইট দেখা করা সবই তার দায়িত্ব। সুইডেন আসলামের অন্যান্য সহযোগীরা কেউ আত্মগোপনে আছেন, কেউ বিদেশ চলে গেছেন, কেউ প্রশাসনের সাথে ক্রসে মারা গেছেন। কিন্তু কিলার সুমন রাজা বাজার এলাকার স্থানীয় হওয়ায় দীর্ঘ দিন আত্মগোপনে থাকলেও দলীয় পরিচয় নিয়ে আবার সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    আওয়ামী পরিবারের সন্তান হয়েও সে ২০০১ সালের বি এন পি সরকারের সময় এই আসনে উপ-নির্বাচন হলে মোসাদ্দেক আলী ফালুর নির্বাচন করেন প্রকাশ্যে। কারন একটাই শীর্ষ সন্ত্রাসী সুইডেন আসলামের মুক্তির জন্য। জাতীয় নির্বাচনে যিনি বিএনপি প্রার্থী নিরব এবং সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এ বিএনপি প্রার্থী আনোয়ার হোসেন এর পক্ষে স্বতন্ত্র ভাবে কাজ করে। ওই নির্বাচনে নাশকতার জন্যে গণপিটুনি খেয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিথুন ঢালী কে গুলি করে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামী এবং ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর যখন আওয়ামীলীগের কোন সংঘঠনে তার স্থান হয় নি তখন তিনি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের মহানগর উত্তরের সভাপতি ইসহাক মিয়ার হাত ধরে হয়েছেন শেরে বাংলা নগর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ সভাপতি। যদিও পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের সকল নেতা-কর্মী প্রতিবাদী হয়ে উঠলে, বাধ্য হয়ে তাকে বহিষ্কার করেন। শুধু তাই নয়, ইসহাক মিয়া সমর্থক দারুস সালাম থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদককেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়।

    চাকরী প্রার্থী গ্রামের অসহায় বেকারদের বেকারত্বকে পুজি করে এমএলএম টাইপ প্রতারণার ফাঁদে ফেলে শাওন হাওলাদার। চাকরী দেওয়ার কথা বলে সিকিউরিটি মানির কথা বলে ২১হাজার টাকা করে নিতো। পরবর্তীতে যাদের থেকে সিকিউরিটি মানি নিত, তাদের বলত অন্যদের চাকরীর ফাদে ফেলতে। প্রতিজনকে ফাঁদে ফেলতে পারলে ৯ হাজার টাকা কমিশন। এই বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে আটকে রেখে ভয় ভীতি দেখিয়ে সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর রাখা হতো। পরবর্তীতে প্রতারিত কয়েকজন এক সাথ হয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করে। সেই মামলার এক নাম্বার আসামী শাওন হওলাদার। ০২/০৮/২০১৮ সালে ভাটারা থানায় হওয়া সেই মামলার নাম্বার ১।

    প্রতারক শাওন হাওলাদার স্বেচ্ছাসেবকলীগ মহানগর উত্তরের সভাপতি ইসহাক মিয়ার বর্তমানে সার্বক্ষনিক সহযোগী। আসন্ন মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হতে যাচ্ছে এই প্রতারক।

    ইসহাক মিয়ার আর্শিবাদপুষ্ট হয়ে বড় পদ পেতে যাচ্ছে সরকারী চাকরীজীবি এএইচএম কামরুজ্জামান সুমন। অতিতে সুমন তুখড় সন্ত্রাসী ছিল। তাকে নিয়ে দেশে শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশও হয়েছিল। সেই সুমন পরবর্তীতে সরকারী ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজে প্রভাব খাটিয়ে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেয়। পরবর্তীতে ডিপিএম হয়ে যায়। সেই সুমনও শুনা যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবকলীগ মহানগর উত্তরের বড় পদে আসছে। যদিও সরকারী কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯ বিধি ২৫ অনুযায়ী যা চাকরীবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

    ইসহাক মিয়ার আস্থাভাজন সুমন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে সুমন বর্তমানে টাকা বিনিময়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগের পদ বিক্রির চুক্তি পর্যন্ত করছেন। সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে প্রভাব খাটিয়ে সিনিয়রিটি উপেক্ষা করে নিজেও ভাগিয়ে নিয়েছেন ওই ডিপিএম পদটি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্যদের প্রমোশন ও বদলি করানোর অভিযোগ উঠেছে। এর সব কিছু করছেন তিনি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রভাব খাটিয়ে। গুঞ্জন রয়েছে আসছে কমিটিতে উচ্চ পদের দৌড়ে রয়েছেন। জানা গেছে, এ এইচ এম কামরুজ্জামান সুমনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ কলেজের অন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এমনকি তাকে নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ উত্তরের নেতাকর্মীরাও। তারা বলছেন, সরকারি চাকরি করে দলীয় পদে থাকা সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা, ১৯৭৯ বিধি ২৫ অনুযায়ী চাকরিবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তার ওপর যদি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা ধরনের অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত হয় সেটি আরো বড় অপরাধ। সূত্র মতে, এর আগেও একই ব্যক্তি ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্যে ও নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে, যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তারপরও থেমে থাকেন তিনি। নানা প্রভাব খাটিয়ে তিনি সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ডিপিএম হয়ে যান।

    সারা দেশে সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ রয়েছি দু’টি। আর সরকারি হোমিও মেডিক্যাল কলেজ একটি। এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রিত হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর হোমিও এবং দেশজ চিকিৎসা ও লাইন ডিরেক্টর অল্টারনেটিভ মেডিক্যাল (এএমসি) দ্বারা। এই কলেজগুলোর নিয়ন্ত্রণ সিন্ডিকেটের অন্যতম সুমন।

    ভুক্তভুগীরা অভিযোগ করেছেন, দলীয় প্রভাব ও নানা ধরনের হুমকি ধামকির কারণে কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বদলি একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যাপার। নিয়োগ পাওয়া কোনো ডাক্তারদের কমপক্ষে তিন বছর পর বদলির বিধান রয়েছে। কিন্তু নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই বদলি বাণিজ্য শুরু করে চক্রটি। মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীদের হয়রানিমূলক বদলি করে থাকে। আবার কাউকে বেশি টাকার বিনিময়ে তার পছন্দমতো জায়গায় বদলি করা হয়। আর কেউ বদলি হতে না চাইলে তাকে গুনতে হয় আরো বেশি টাকা। এ ব্যাপারে জানতে কামরুজ্জামান সুমনের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইসহাক মিয়ার কাছে এই সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিরি বলেন, শাওন আমার কাছে আসে। রাজনীতি করে। এখনও কোন পদ চূড়ান্ত হয়নি। তিনি তার বিরুদ্ধে উঠা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    অন্যদিকে মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নাঈমও তার বিরুদ্ধে উঠা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষে ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেন।

    আরও পড়ুন