৬ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার দুই ভোরের দর্পণের সার্কুলেশন ম্যানেজার ইখতিয়ার হোসেনের মা আর নেই বরিশাল নগরীতে মাদক ও সন্ত্রাসী মনির বাহিনীর হামলায় বাবা ও ছেলে আহত গাজীপুরের অন্তসত্ত্বা নারীর উপর সন্ত্রাসী হামলার মুন্সীগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দুই সন্তানের পর দগ্ধ পিতার মৃত্যু দ.আফ্রিকায় ১ দিনেই ওমিক্রনে আক্রান্ত ১৬ হাজার কুড়িগ্রাম জেলা কৃষক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সড়কের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাল কার্ড নিয়ে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা নীলফামারীর জঙ্গি আস্তানা থেকে দুই নারীসহ পাঁচজন আটক চিরিরবন্দর উপজেলায় আসন্ন ৫ম ধাপের ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেলেন যারা
  • প্রচ্ছদ
  • চট্টগ্রাম >> লিড
  • চৌদ্দগ্রামে আলকরায় অরক্ষিতভাবে মুক্তিযোদ্ধার গণকবর!
  • চৌদ্দগ্রামে আলকরায় অরক্ষিতভাবে মুক্তিযোদ্ধার গণকবর!

    জহিরুল ইসলাম সুমনঃ
    প্রতি বছর বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস আসলে সরকারী-বেসরকারীসহ বিভিন্ন সংগঠন হাজার হাজার টাকা খরচ করে দিবসগুলো উৎযাপন করে। অথচ যাদের ত্যাগের বিনিময় এই স্বাধীনতা ওই সব শহীদ বীর সেনানীদের পরিবারের কতটুকু খবর রাখে সংগঠন গুলো? অন্তত সব সময় খবর না রাখতে পারলেও বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে হলেও তাদের খোজ খবর রাখা যৌক্তিক নয় কি? যাদের জীবনের বিনিময় এই স্বাধীনতা-তাঁদের গণকবরটি আজ অরক্ষিত ও অবহেলিত ভাবে জঙ্গলে ঘেরা অবস্থায় পড়ে আছে। সে দিকে কেউ খেয়াল রাখার প্রয়োজনও মনে করছে না। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষেও মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনসহ কেউ এর খেয়াল রাখেনি। প্রায় ৫-৬ বছর আগে পদুয়া সুফিয়া রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থাকাকালিন অনিল চন্দ্র দেব নাথ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস আসলে এই গণকবরটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতেন। ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন থেকে কোন কর্মসুচি এ পর্যন্ত দেখা যায় নি।
    গণকবরটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর দেয়া পদুয়ার কাদের ও সরুজ মিয়া জানান, ‘১৯৭১ সালে একদল মুক্তিযোদ্ধা এ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় পাক বাহিনীর সামনে পড়লে তারা কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে। অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে পাকবাহিনী চলে গেলে আমরা কয়েকজন যুবক মিলে এদেরকে হিন্দুবাড়ীর পুকুরের পাড়ে একটি কবরে সমাহিত করি। এ গণকবরটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়া রাস্তার মাথা থেকে ২০০ গজ পশ্চিমে হিন্দুবাড়ীর পুকুর পাড়ে। সরকারের উচিত-গণকবরটি সংরক্ষণ করা। তাহলে আশ-পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আরও বেশি জানতে পারবে’।
    এ ব্যাপারে আলকরা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পেয়ার আহম্মদ গণকবরটির কথা স্বীকার করে বলেন, ‘এখানে সরকারী ভাবে একটি সৃতিস্তম্ব নির্মাণ করে দিলে সবচেয়ে সুন্দর ও ভালো হতো’।

    আরও পড়ুন