২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
আল্লামা সৈয়দ ফজলুল করিম রহ. জীবন ও কর্মশীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চিরিরবন্দর উপজেলায় নির্বাচিত ও সম্ভাব্য নারীপ্রতিনিধিগণের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব নারায়ণগঞ্জ এর পক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা ভেনেজুয়েলার এক মা নিজে মূত্রপান,সন্তানদের স্তন্যপান করিয়ে মাঝ সমুদ্রে মারা গেলেন ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব : তামিম ইকবাল বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন বিজয় শেখ হাসিনা ও মনমোহন সিংয়ের আপত্তিকর ছবি পোস্ট করায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ৭ বছরের কারাদণ্ড জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন মাতালো দক্ষিণ কোরিয়ান বয় ব্যান্ডের বিটিএস রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুল্লি থেকে পড়ে একজন মারাত্মক আহত,নিহত ২ রবি চৌধুরী ফেসবুকে ইভার বিয়ের পোস্ট ইভা রহমান এখন ইভা আরমান
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> চট্টগ্রাম >> টপ নিউজ
  • কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে সড়কে বেহাল দশা
  • কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে সড়কে বেহাল দশা

    ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ
    কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার প্রধান কয়েকটি সড়কের মধ্যে ঢালুয়া-মাহিনী-বাংগড্ডা সড়ক অন্যতম একটি প্রধান সড়ক। যা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন এ সড়কের প্রায় ৩১ কিলোমিটার সড়কের পিচ-পাথর উঠে রাস্তায় দেখা দিয়েছে খানাখন্দক। বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। এ যেন মরণফাঁদ!

    এদিকে এলাকাবাসির অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো রাস্তা নির্মাণ করার সময় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি করেন। যার কয়েক মাসের মাথায় পিচ-পাথর উঠে বড় বড় গর্ত হয়। আবার আগের রাস্তার মতন হয়ে যায়। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা গচ্চা যায়। কাজের কাজ কিছুই হয় না।

    সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এ ৩১ কিলোমিটার সড়কটির আলিয়ারা, মৌকরা, তুলাতুলি, ঝাটিয়াপাড়া, মনতলী, শ্রীরামপুর, শান্তির বাজার, মাহিনী, তালতলা, বাংগড্ডা বাজারসহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে সড়কের পিচ-পাথর উঠে অসংখ্য ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। আবার কোথাও কোথাও দেখা মিলে বড় বড় গর্তের। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে আরো বড় বড় গর্ত তৈরি হয়।
    প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যানচলাচলের সময় যাত্রী ও ড্রাইভারদের কোন না কোন দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়।

    এ সড়কটি চৌদ্দগ্রাম-লাকসাম উপজেলার আঞ্চলিক সড়কের বাঙ্গড্ডা বাজার বটতলা থেকে শুরু হয়ে ঢালুয়া বাইপাস এলাকায় গিয়ে চিড়রা-নাঙ্গলকোট সড়কে সাথে সংযোগ হয়। উপজেলার মধ্যে এটি একটি ব্যস্ততম সড়ক।সড়কটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে বিভিন্ন মালামাল নেয়া আসা করে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরা কম সময়ে মধ্যে কুমিল্লা-ঢাকা, ফেনী-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচল করে।

    দীর্ঘ এক বছর ধরে ভাঙা ও খানাখন্দকে ভরা সড়ক দিয়ে রিকশা-ভ্যান, অটো ও সিএনজি, বাস ও ট্রাক চালকরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন তারা।

    এ বিষয়ে সিএনজি এক সাধারণ যাত্রী আলিয়ারা গ্রামের আজগর হোসেন বলেন, তার স্ত্রীকে নিয়ে বোনের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছেন। রাস্তার মধ্যে এতো গর্ত তৈরি হয়েছে। সিএনজি যোগে যাতায়াতের ফলে কোমরে ব্যাথা হয়। একবার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা সংস্কার করে গেছে। এখন আর কবে আসে এই কাজ করার জন্য আল্লাহ ভালো জানেন।

    এ সড়কের সিএনজি চালক বাংগড্ডা উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা জসিম বলেন, প্রতিদিন গাড়ির একটা না একটা ভাঙ্গে। রাস্তায় এতো গর্ত! কয়টা বাঁচাবো। এমনিতে প্রতিদিন ১৫-২০ টাকার ব্যাথার ঔষধ খেতে হয়। একবার কাজ করে গেলে কেউ খবরও নিতে আসেনা। আমাদের থাকতে হয় রাস্তায়। ভাঙা আর গর্ত হলে কি করবো। পেটের দায়ে গাড়ি চালাতে হয়।

    শাহ আলী সুপার বাসের চালক সুমন জানান, হাসানপুর থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে সকালে বাস ছাড়ি। যেতে যেতে প্রায় দুপুর হয়ে যায়। কি করবো রাস্তা এতো খারাপ। এক ঘন্টার রাস্তা তিন ঘন্টা লাগে। আবার দূর্ঘটনার আসংকাও বেশি থাকে। জোরে বাস চালাতে পারি না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে লাকসাম সওজ বিভাগের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আজিম উদ্দিন বলেন, বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমানে নির্মাণ সামগ্রী না থাকায় সংস্কার কাজ করা যাচ্ছে না। আগামী দু-এক মাসের মধ্যে ওই ৩১ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজ করা হবে।

    আরও পড়ুন