২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
ভূমি জালিয়াতির আখড়া কেরাণীগঞ্জ রেকর্ড বহির্ভূত জাল দলিলেই হচ্ছে নামজারি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান সাম্প্রদায়িত সম্প্রীতি রক্ষায় মহানবী (সা.)’র আদর্শ সুমহান : ন্যাপ মহাসচিব সাংবাদিক জনি’র চীর বিদায় শেখ রেহানাকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া উচিত বলে মন্তব্য : ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ফুলতলা হতে ৫ লিটার দেশী মদসহ গ্রেফতার ১ ঝিনাইদহে নিখোঁজ ইজিবাইক চালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার আগাম আলু চাষিদের স্বপ্ন এখন গুড়েবালি শ্বশুরবাড়ির অমানুষিক নির্যাতনে মিঠুনের মৃত্যু ৯৬ রানে অলআউট বিপর্যয়ে লঙ্কানরাও
  • প্রচ্ছদ
  • বিনোদন >> মিডিয়া
  • হারিয়ে যাওয়ার আগে নিজেকে খুঁজে পেতে চাই: আসিফ
  • হারিয়ে যাওয়ার আগে নিজেকে খুঁজে পেতে চাই: আসিফ

    অনলাইনডেস্কঃ
    বাংলা গানের অডিও যুগের যুবরাজ কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ দিয়ে যার পথচলা শুর। আর পিছু ফিরে তাকাতে হয় নি। তারপর যে অ্যালবামটিই বের হয়েছে। সেটিই সুপার ডুপার হিট ব্যবসা সফল হয়েছে। গানের সিডির যুগেও সমান তালে এগিয়ে গেছেন। সিনেমার গানেও প্লে ব্যাক করেছেন একেরপর এক সুপার হিট গান দিয়ে।
    গানের জগতে প্রায় দুই যুগ সময় পার করেছেন। বর্তমানে গান নিয়ে আত্মোপলব্ধি করেছেন এই গোল্ডেন ভয়েজ খ্যাত শিল্পী। গান নিয়ে তার কি করা উচিৎ, কোন কাজ ঠিক হয় নি। কি কাজ করতে হবে। এসব কথা শিল্পী নিজেই জানিয়েছেন। কি সেসব কথা? চলুন জেনে নেই আসিফ আকবরের সেই না বলা কথা।

    শিল্পী লিখেছেন, গান যেহেতু পেশা তাই বানিজ্যিক গান গাইতে হয়। পেশার কারণে মিউজিক ভিডিও করতে বাধ্য হয়েছি। এমন কিছু গান গেয়েছি যেগুলো গাইতে মন যায় দেয়নি। অনেকের রিজিক জড়িত, পাশাপাশি কোম্পানির অনুগতও থেকেছি। নতুন নতুন লেবেলের ডেব্যু হয়েছে আমার গান দিয়ে, প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা সাধারণত এ ধরনের ঝুঁকি নিতে চায় না।
    অনুরোধের আসর চাওয়া পাওয়ার আরেক নাম ছিল আসিফ। শেষ পর্যন্ত কঠিন থাকতে পারিনি। কারো মন খারাপ করতে চাইনি, আবার সবার মনও রক্ষা করতে পারিনি। বিশেষ করে জুনিয়রদের সাথে কাজ করতে গিয়ে মাঝে মধ্যে ঢেঁকি গিলতে হয়েছে, তবে তারা আমাকে নিরাশ করেনি।

    মিউজিক ভিডিও’র যুগ আসার পর আমি আরো একধাপ আগিয়ে নায়ক হয়ে গেছি। ভিউয়ের পিছনে ছোটা ইন্ডাষ্ট্রীতে আমিও ছিলাম বাজীর ঘোড়া। টানা তিনবছর দিনরাত শুটিং করে এখন ঘুম হয়ে গেছে মরিচীকা। করোনা আসার আগেই মিউজিক ভিডিও’র লাইন থেকে পাততাড়ি গুটিয়েছি। মাথাও ন্যাড়া করে ফেলেছিলাম।
    তারপর প্রচূর কাজ এসেছে ভিডিও করার শর্তে, সিদ্ধান্ত বদলাইনি। দু’একটা কাজ করতেই হবে যেগুলোর কথা দেয়া ছিল। কিছু বন্ধুবৎসল প্রডিউসার আবার নিজ থেকেই আমার ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েছেন। আগডুম বাগডুম দু’তিনটা গান রিলিজের অপেক্ষায় আছে যেগুলো অনেক আগে গাওয়া।
    এখন বেঁছে কাজ করছি। স্বাভাবিক ভাবেই আমার কাজ কমে গেছে প্রায় সত্তর শতাংশ। কিছু প্রডিউসার এখনো আমার গানই চান। তবে শর্ত একটাই, শুটিংয়ে সঙ্গে থাকবেন শুধু প্রাপ্তবয়স্ক গায়িকা। কঠিন সিদ্ধান্তটা নিতে হয়েছে নিজের বয়স এবং ম্যাচিওরিটি বিবেচনায়। ষ্টুডিও ভার্সন আর লিরিক ভিডিওতে নিজেকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছি।

    অনেক প্রতিকূলতা ফেস করতে হবে জেনেও ভিউয়ের ইঁদুর দৌড় থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি। সামনের দিনগুলোতে ভাল কথা সুরের অনেক গান করতে চাই। প্রোডিউসার না থাকলে নিজেই প্রোডিউস করবো সাধ্য অনুযায়ী। অডিও’র লোকজন পুঁজি নিয়ে ঢুকে গেছে নাটকে, ওখানে নাকি ব্যবসা ভাল। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা খুঁজবেন এটাই স্বাভাবিক। আমি আছি আত্মতৃপ্তির সন্ধানে, হারিয়ে যাওয়ার আগে নিজেকে খুঁজে পেতে চাই। ভালোবাসা অবিরাম।

    আরও পড়ুন