২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
বাংলাদেশের সাগর কন্যার দ্বীপ- সন্দ্বীপে ঘুরে আসুন ঢাকা – জামালপুর কমিউটার ট্রেনে ডাকাতি; হামলায় নিহত ২ রোহিঙ্গাদের জন্য ১৮ কোটি ডলারের তহবিলের ঘোষণা : যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক নেতা আবু তাহের বক্তব্য রাখার সময় মঞ্চেই ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের আন্দোলনে পুলিশের বাধা, আহত ১০ হিন্দু সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে শাহীন আনামদের বিরুদ্ধে মামলা সিলেটে এটিএম বুথ ডাকাতির পরিকল্পনাকারী সাফি উদ্দিন জাহির গ্রেফতার এমনই গুঞ্জনই বরখাস্ত হতে পারেন বার্সা কোচ কোম্যান! শার্শায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতা হানির অভিযোগ ফরিদপুরে নকল বিদেশি মদের কারখানার শনাক্ত ৩ ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ৯
  • প্রচ্ছদ
  • অপরাধ >> আইন আদালত >> টপ নিউজ >> ঢাকা
  • সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী নিলামে
  • সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী নিলামে

    স্টাফ রিপোর্টার ঃ
    সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধভাবে নির্মাণসামগ্রী রাখায় তাৎক্ষণিক নিলামে তুলেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযানে পাওয়া নির্মাণসামগ্রী ২১ লক্ষাধিক টাকা বিক্রয় করা হয়।ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হামিদ মিয়া গুলশানে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। শুরুতে নগর ভবনের সামনে ফুটপাতে অবৈধভাবে রাখা বালি জব্দ করা হয় এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ডিএনসিসির এক ঠিকাদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। গুলশান ৯০ নম্বর সড়কে অবৈধভাবে রাখা রড, ইট, বাঁশ ইত্যাদি তাৎক্ষণিকভাবে নিলামে ১৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা বিক্রয় করা হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ বনানী ও কামাল আতাতুর্ক এভিনিউতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বনানীতে সড়ক ও ফুটপাতে অবৈধভাবে নির্মাণ সামগ্রী তা নিলামে ৩ লক্ষ ৫১ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়। বনানীতে ফুটপাতে অবৈধভাবে ২টি ফ্রিজ রেখে জনচলাচলে বিঘœ সৃষ্টি করায় তা নিলামে ১৪ হাজার ৩৭৫ টাকা বিক্রয় করা হয়। এছাড়া ফুটপাত ও সড়ক থেকে প্রায় ৩০টি দোকান উচ্ছেদ করা হয় এবং অবৈধভাবে ফুটপাত ও সড়ক দখল করায় এক ব্যক্তিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অঞ্চল ৬ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিন নতুন বাজার থেকে বাড্ডা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

    আরও পড়ুন