২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
আল্লামা সৈয়দ ফজলুল করিম রহ. জীবন ও কর্মশীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চিরিরবন্দর উপজেলায় নির্বাচিত ও সম্ভাব্য নারীপ্রতিনিধিগণের যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব নারায়ণগঞ্জ এর পক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা ভেনেজুয়েলার এক মা নিজে মূত্রপান,সন্তানদের স্তন্যপান করিয়ে মাঝ সমুদ্রে মারা গেলেন ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব : তামিম ইকবাল বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন বিজয় শেখ হাসিনা ও মনমোহন সিংয়ের আপত্তিকর ছবি পোস্ট করায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ৭ বছরের কারাদণ্ড জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন মাতালো দক্ষিণ কোরিয়ান বয় ব্যান্ডের বিটিএস রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুল্লি থেকে পড়ে একজন মারাত্মক আহত,নিহত ২ রবি চৌধুরী ফেসবুকে ইভার বিয়ের পোস্ট ইভা রহমান এখন ইভা আরমান
  • প্রচ্ছদ
  • অপরাধ >> আইন আদালত >> চট্টগ্রাম
  • কুমিল্লায় যুবদলকর্মী সোহেল হত্যা মামলায় অপর যুবদলকর্মী মিঠুর মৃত্যুদন্ডাদেশ
  • কুমিল্লায় যুবদলকর্মী সোহেল হত্যা মামলায় অপর যুবদলকর্মী মিঠুর মৃত্যুদন্ডাদেশ

    জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল: কুমিল্লায় যুবদল কর্মী এসএম তৌহিদ সোহেল হত্যা মামলায় আরেক যুবদল কর্মী আহসান হাবিব মিঠুর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়া তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত অপর দুই আসামীকে খালাস দেয়া হয়েছে।

    বুধবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত আহসান হাবিব মিঠু নগরীর রেইসকোর্স এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে নগরীর রেইসকোর্স এলাকার লাইট অব বেঙ্গল হোটেলে ১৮ দলীয় জোটের অনুষ্ঠান চলাকালে যুবদলকর্মী আহসান হাবিব মিঠুর সাথে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে এস.এম তৌহিদ সোহেলের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওইদিন বিকেলেই রেইসকোর্স এলাকায় এস.এম তৌহিদ সোহেলের বুকে এলোপাথারী কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় ওইদিন রাতে নিহত এসএম তৌহিদ সোহেলের স্ত্রী বদরুন্নাহার লুনা বাদী হয়ে আহসান হাবিব মিঠুকে প্রধান আসামী করে ২ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গৌতম তদন্তশেষে ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে ৩ জনের নামে চার্জশীট দাখিল করেন।

    এ মামলায় ১৭ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আদালতের বিচারক আহসান হাবিব মিঠুকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট আঃ মান্নান মজুমদার এবং আসামীপক্ষে অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।

    এদিকে সকল আসামীর ফাঁসির রায় না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন মামলার বাদী। রায়ের দিনে আসামীর সাথে বিচারকের কথা বলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    রায়ের দিনে আদালতের বিচারক আসামীর সাথে কথা বলবেন এমন নজির নেই বলে জানান আসামীপক্ষের আইনজীবি।
    সূত্রঃ সিমান্ত সংবাদ

    আরও পড়ুন