Breaking News
Home / প্রধান সংবাদ / মণিরামপুর ইউপি নির্বাচন আবারও নৌকার মাঝি হতে চান স্বপন দাস

মণিরামপুর ইউপি নির্বাচন আবারও নৌকার মাঝি হতে চান স্বপন দাস

মণিরামপুর প্রতিনিধি:

মণিরামপুরের একটি ঐতিহ্যবাহি ইউনিয়ন কাশিমনগর। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আবারও নৌকার মাঝি হতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক স্বপন কুমার দাস। অবহেলিত উন্নয়ন ও সুবিধা বঞ্চিত এ ইউনিয়নকে আলোকিত করতে গুরুত্বপূর্ণ এ জনপদে নৌকার মাঝি হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মানুষের সেবা করতে চান স্বপন দাস। আসছে আগামী মার্চের কোন এক সময়ে নির্বাচন কমিশন দেশব্যাপি ইউনিয়ন পরিষদের তফসীল ঘোষনা করতে পারে। সে লক্ষে মণিরামপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন দলে প্রার্থীর ছড়াছড়ি। এ তালিকায় পুরাতন আর নতুনদের সাথে হাইব্রীড ও সুবিধাবাদীদের সংখ্যা কম নয়। যে কারণে নৌকা প্রতীক নিয়ে জটিলতা সৃষ্ট হতে পরে। সে সকল জটিলতাকে উপেক্ষা করে আবারও আসন্ন নির্বাচনে উপজেলার ২নং কাশিমনগন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ স্বপন কুমার দাস। নির্বাচনী মাঠে তিনি পুরাতন মুখ এবং সবার পরিচিত মানুষ। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলেিগর নৌকা প্রতীক নিয়ে পরাজিত হলেও-এলাকার যে কোন মানুষ সমস্যায় পড়লে সাথে-সাথে সেখানে ছুটে যান তিনি। মানুষের বিপদে ঘরে বসে থাকতে পারেন না-ছুটে যান বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে। বিয়ে-সাদী, অভাবী, কাজহীন মানুষকে সহযোগিতা করা, যুব সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তোলার চেষ্টার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অংশগ্রহণে সব সময় নিজেকে জড়িয়ে রাখেন। ইউনিয়নের সকল বয়সী ও শ্রেণি পেশার মানুষের পরিচিত এবং আপনজন স্বপন দাস। জনগণের ইচ্ছা ও ভালবাসার প্রতিদান দিতে তাই আবারও নৌকার মাঝি হতে চায় তিনি। ঘরের শত্রæ বিভিষণের ভুমিকা পালন করে গত ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেলেও দলীয় কিছু নেতৃবৃন্দ প্রতিপক্ষ প্রার্থীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে স্বপনকে পরাজিত করা হয়েছিল বলে তার সমর্থকেরা দাবী করে থাকেন। স্বপন কুমার দাস পেশায় একজন ব্যবসায়ী হয়েও রাজনীতি আর সমাজ উন্নয়নে এ ইউনিয়নের প্রতিটি পরতে-পরতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি বিশ্বাস করেন শুধু ব্যক্তিগত সহযোগীতা দিয়ে সমাজ ও সমাজের মানুষের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। তাই বৃহৎ পরিসরে সমাজের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান পদে আবারও প্রার্থী হতে চান। যে কারণে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন তিনি। এলাকার বিভিন্ন বয়সের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, দক্ষ সংগঠক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনে তারা এবার স্বপনকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান। কাশিমনগর ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য তার বিকল্প নাই। ইতিমধ্যে ইউনিয়নের যুবসমাজ, ছাত্রসমাজসহ কৃষক-শ্রমিক, বয়োবৃদ্ধ ও সাধারণ জনগণের বেশিরভাগ অংশই স্বপনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। আবারও তারা স্বপনকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায়। ইউনিয়নের অনেক বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগের কর্মীরা বলেন, ‘এ ইউনিয়নে বিরাট একটি অংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। সেক্ষেত্রে স্বপন দাস মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হতে কোন সমস্যা হবে না। স্বপন দাসের ইচ্ছা আঙ্খাক্ষা উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে আলাপচারিতায় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে একান্ত স্বাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সংগঠন, দেশরতœ শেখ হাসিনার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল ইউনিয়ন গঠনসহ সকল কর্মকান্ডে জনগনের অংশগ্রহন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আমার লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা কালিন দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করি। আওয়ামীলীগসহ দলের বিভিন্ন সহযোগী ও অংশ সংগঠনের পর্যায়ক্রমে বিভিন্ পদে দায়িত্ব পলন করেছি। সেই স্কুল জীবন থেকে রাজনীতিতে পথচলা। এরপর থেকে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছি। আমার পরিবারের সবাই আ.লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। যে কারণে গণমানুষের কাছে সর্বাধিক পরিচিত থাকায় গত ইউপি নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও জনগণের চাহিদা অনুয়ায়ী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে এবারও আমি অংশ নিতে চাই। জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই। আমার দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতীক দিলে এবার আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো-এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। নির্বাচিত হলে কাশিমনগর ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে তোলার ইচ্ছা আছে। পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুেেদ্ধ যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলব।’ ‘তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের ভোটাররা আমাকে নির্বাচনে আসার উৎসাহ দিয়েছে। দল আমাকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতীকের টিকেট দিলে-এবার আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে কাশিমনগর ইউনিয়নের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অত্র ইউনিয়নে উন্নয়নের নব দিগন্ত সৃষ্টি হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এ ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই, সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সহযোগী হতে চাই। কারণ গত ৫ বছর এ ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান থাকায়-জনগণ উন্নয়নের আভাস পায়নি। কাশিমনগর ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা গতিশীল করতে হলে দলীয় প্রার্থীর বিকল্প কিছু নেই। সে কারণে আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে নৌকার মাঝি হয়ে কাশিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।’

Check Also

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে রূপগঞ্জের রূপসী হতে ১ জন ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার

৫ আগস্ট র‌্যাব ১১ এর বিশেষ অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার রূপসী এলাকায় অবস্থিত “স্বদেশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *