Breaking News
Home / প্রধান সংবাদ / মণিরামপুরের ইউপি নির্বাচন সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চান-যুবনেতা মনিরুজ্জামান মিল্টন

মণিরামপুরের ইউপি নির্বাচন সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চান-যুবনেতা মনিরুজ্জামান মিল্টন

মণিরামপুর প্রতিনিধি:

পৌরসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই-দেশব্যাপি এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ডামাঢোল বেজে উঠেছে। পৌরসভার মত নির্বাচন কমিশন কয়েকটি ধাপে এ নির্বাচন সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে ১৭ মার্চ প্রথম ধাপে ৩২৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে তফসীল ঘোষনা করেছেন এবং পর্যায়ক্রমে ধাপে-ধাপে অন্যান্য সকল ইউনিয়ন পরিষদের তফসীল ঘোষিত হবে।

ফলে যারা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষন করেছেন-তারা প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তেমনি মণিরামপুরের সদর ইউনিয়ন থেকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে অনেক আগে থেকেই মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছেন সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মিল্টন।

পৌরশহর সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী সদর (মণিরামপুর) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশি’র এ তালিকার মধ্যে আলোচনা শীর্ষে আছেন যুবনেতা মনিরুজ্জামান মিল্টন। একজন পরিশ্রমি ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে সমাধিক পরিচিত ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। তার পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের দাবী তৃণমুল থেকে উঠে আসা এ নেতার রাজনৈতিক পরিচিতিটা গরীব দুঃখীর নেতা হিসেবে বেশিই পরিচিত।

রাজনৈতিক ময়দানে পদচারনা আর মণিরামপুরের রাজপথ কাঁপানো এ নেতার আদর্শের মগ্ধ হয়ে অন্যান্য সংগঠনের অনেক তরুণ মিল্টনের হাত ধরেই ছাত্রলীগ, যুবলীগ অথবা আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। দীর্ঘ ২৪ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার হাত ধরে শতশত যুবনেতা সৃষ্টি হয়েছেন বলে তার দাবী। তাই মণিরামপুরের তরুণ সমাজের কাছে নেতা নয় গুরু হিসেবেই হিসেবেই তার পরিচিতিটাই বেশি।

তিনি বর্তমান উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিপূর্বে মণিরামপুর সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতিসহ উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদটির দীর্ঘ একযুগ ধরে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান প্রজন্মের যুব সমাজের কাছে অহংকার মনিরুজ্জামান মিল্টন। বর্তমানে উপজেলা রাজনীতিতে তিনি একজন বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় মূখ।

আচরণগত ভদ্রতা ও রাজনীতির বাইরে সাধারণ মানুষ, সকল রাজনৈতিক দল, ধনী-দরিদ্র, ছোট-বড়, সকল শ্রেণির মানুষের কাছে সমান জনপ্রিয় এবং একজন সৎ চরিত্রবাণ ব্যক্তি হিসেবে সমাধিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। যুব সমাজের কাছেও তিনি প্রিয় মুখ ও আদর্শের বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

মণিরামপুরের তরুন সমাজের কাছে নেতা নয়- বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শের সৈনিক হিসেবেই তার পরিচিতিটাই বেশি। আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী সারাদেশে সৎ-পরিছন্ন সর্বজন গ্রহণযোগ্য ও উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিরা দলের পদ-পদবীসহ জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পাবে। এ ক্ষেত্রে মনিরুজ্জামান মিল্টনের মনোনয়ন না পাওয়ার কোন কারণ নাই।

নির্বাচনের আগ্রহের কথা জানতে চাইলে মনিরুজ্জামান মিল্টন বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি জনগণের জন্য। কোন লাভের আশা না করে দিনরাত উপজেলা ব্যাপি দলের জন্য কাজ করে বেড়ায়। মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হতে বৃহৎ এ উপজেলা প্রত্যান্ত অ লে ছুটে বেড়ায়। জনপ্রতিনিধি হয়ে জনগণের সেবা করার একটি অন্যাতম মাধ্যম।

মানুষের দোর গোড়ায় সেবা পৌছুয়ে দেওয়ার মানষিকতা নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছি। আমি মণিরামপুর আপমর জনগণের পাশে সর্বক্ষনিক থাকতে চাই, আমার প্রিয় ইউনিয়ন বাসির জন্য কিছু করতে চাই, অসহায়, গরীব ও দূঃখী মানুষের পাশে দাড়াতে চাই। ইউনিয়নবাসি আমার সাহস, আমার শক্তি, আর তারাই আমাকে উৎসাহ দিচ্ছেন নির্বাচন করতে। তাই আমি জনগণের ইচ্ছা পূরণ করতে দলের কাছে প্রার্থী হবার জন্য মনোনয়ন চাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারকেরা যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেন-তবে নির্বাচন করবো। আমার দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করবো এবং ইনসাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো। যদি আমাকে না দিয়ে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেন তাহলে আমি দল ও নেত্রীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে তাকে বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একমাত্র জনপ্রতিনিধি হয়েই সেটা সম্ভব বলে আমি মনে করি। আল্লাহ আমাকে মানুষের জন্য কাজ করার যে মানষিকতা তৈরী করে দিয়েছেন, যে সমর্থ আমাকে দিয়েছেন-তা কাজে লাগিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি।

আমার পরিবারের সকলকে এলাকাবাসি চিনেন। আমার বড় ভাই একজন ব্যাংকার। মেঝ ভাই উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আমার ছোট ভাই বর্তমান উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছে। আমি নিজেও উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি এবং বর্তমমান উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছি।

কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে কোনদিন কোন ধারনের দূর্নীতির অভিযোগ কেই করতে পারেনি। সেই ১৯৯৫ সালে-আমি তখনও এসএসসি পাশ করিনি-সেই থেকে অদ্যাবধি দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস আমি মনোনয়ন পাবো।’

Check Also

নারায়ণগঞ্জে হেফাজত ইসলামের হরতালে নাশকতা ও সহিংসতার মামলার এজাহারনামীয় আসামী গ্রেফতার

৩০ জুলাই দুপুরে র‌্যাব-১১, এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার নিমাইকাসারী এলাকা হতে গত ২৮ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *