Breaking News
Home / প্রধান সংবাদ / ভান্ডারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক

ভান্ডারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক

মুজিব বর্ষকে ঘিরে প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে পিরোজপুরের ভাÐারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়ীয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার টাকা বলে অভিযোগ উঠছে। এ ঘটনায় বুধবার ভাÐারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেছেন এক ভুক্তভোগি মুক্তিযোদ্ধা।

জানা যায়, একটি প্রতারক চক্র উপজেলার ভিটাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য প্রফুল্য মিশ্র কে গত ৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে কল দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাত দিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম চান এবং তিনি তার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা শ্যাম সুন্দর মিশ্র এর নাম তালিকায় দিয়ে তার মুঠোফোন নম্বর দেয় ওই ভুয়া অফিসারকে। একই ইউনিয়নের অপর ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের কাছেও ওই চক্রটি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ও মুঠোফোন নম্বর চাইলে তিনি কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধার ফোন নম্বর দেয়।

উক্ত চক্রটি ওই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের এই নম্বর দিয়ে (০১৮১৭৩৯৮৭৬৩) ফোন করে বলে, “আমি ভাÐারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলছি, মুজিব বর্ষে সরকার প্রতি মুক্তিযোদ্ধাদের আড়াই লক্ষ করে টাকা দিবে তাই তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই তালিকায় আপনার নাম রাখা হবে তবে আপনারা প্রত্যেকে ৩৭ হাজার ২ শত টাকা এখনি নগদের একাউন্টের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছে পাঠিয়ে দিন এবং পরবর্তী দিন আমার অফিস দিয়ে চেক নিয়ে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করবেন।

সেইমতে, মুক্তিযোদ্ধা শ্যাম সুন্দর মিশ্র ওই চক্রের দেয়া নম্বরে (০১৮৮৮২৬৭৫৬৬) নগদের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা, মুক্তিযোদ্ধা কাদের মুন্সী ও রমেন দত্ত মিলে ১১ হাজার ৮ শত টাকা, মুক্তিযোদ্ধা হাবিব দফাদার ১৫ হাজার টাকা পাঠান। বাকী টাকা রবিবার জমা দেয়ার কথা হয় প্রতারক চক্রের সাথে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা শ্যাম সুন্দর মিশ্র বলেন, আমি বিশ্বাস করে ১২ হাজার টাকা পাঠিয়েছি। স্থানীয় কাপালিহাট বাজারে বিকাস এজেন্টে ক্যাস আউড করার মত পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় বাকী টাকা পাঠানোর জন্য রবিবার ভাÐারিয়া শহরে গিয়ে জানতে পারি আসাদের সম্মানিত নির্বাহী অফিসার ও সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজারের নামে ভুয়া পরিচয় দিয়েছে ওই চক্রটি ও এসব গুজব ছাড়া কিছুই না। পরে টাকা না পাঠিয়ে ভাÐারিয়া থানায় গিয়ে বুধবার রাতে ওই প্রতারকদের মুঠো ফোন নম্বরে সাধারণ ডাইরী করে আইনী সহায়তা চাই।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল ও প্রফুল্য মিশ্র ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রতারক চক্রের বিচার দাবী করেন। প্রতারক চক্রের ব্যবহৃত ওই দুটি ফোন নম্বরে এ প্রতিবেদক যোগাযোগ করার চেস্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে ভাÐারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুমুর রহমান বিশ^াস জানান, প্রতারক চক্রটি সনাক্তের আইনি প্রকৃয়া চালিয়ে যাচ্ছি।

Check Also

সরকারি রাস্তা দখল করে মণিরামপুরে পাঁকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

মণিরামপুর প্রতিনিধি: মণিরামপুরের কোনাকোলা বাজারে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তার জমি দখলের পর পাকা স্থাপনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *