Breaking News
Home / প্রধান সংবাদ / এ যেন আরেক আসমানী জীবন রাজাপুরের পল্লীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শারমিন বেগম অর্ধাহারে অনাহারে কিভাবে কাটায় অন্যের ভাঙা খুপড়ি ঘরে কনকনে শীত আর বর্ষা

এ যেন আরেক আসমানী জীবন রাজাপুরের পল্লীতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শারমিন বেগম অর্ধাহারে অনাহারে কিভাবে কাটায় অন্যের ভাঙা খুপড়ি ঘরে কনকনে শীত আর বর্ষা

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠির রাজাপুরের সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ছোট-কৈবর্তখালী গ্রামের রশিদ হাওলাদারের ছেলে মামুন হাওলাদার (৩০) ও তার স্ত্রী শারমিন বেগম (২৫) এবং চতুর্থ শ্রেণির পড়––য়া মেয়ে মারিয়া আক্তারের বসবাসের ঘর না থাকায় অন্যের ভাঙা ঘরে বসবাস করে, তীব্র শীত নিবারণের জন্য সাহায্যের আকুতি এবং একটি ঘরের। রশিদ হাওলাদার জানান আমার পুত্রবধূ শারমিন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তার মাথায় কোনো কাজ করে না যখন যেটা ভালো লাগে তখন সেটা করে আবার কাউকে ঠিক মতো চিনতে পারে না কারো সাথে ভালো ভাবে কথাও বলতে পারে না, ঠিক মতো রান্না করেও খেতে পারে না, ওষুধ খাওয়ালে কিছুটা ভালো থাকে কিন্তু আমার ছেলে মামুন সেও কিছুটা মানুষিক রোগে আক্রান্ত ঠিক মতো তেমন কাজ কাম করতে পারে না যেখানে পায় সেখানে কোনো মতে কাজ করে, মানুষে তেমন টাকা দেয় না ঠিক মতো কাজ করতে পারে না টাকা আর দিবে কি, যেদিন কাজ করতে পারে সেইদিন কোনো মতে খায় পরে আর কি খাবে, রোজ আনে রোজ খায় কাজ না করতে পারলে না খেয়ে থাকে। আমারও ওই রকম অর্থ নেই যে আমি খাওয়াবো। মামুন অন্যের বাড়িতে কাজ করে, যখন যে কাজ পায় তাই করে দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোগার করতেই কষ্ট হয়। মামুন নিজেই মানসিক অসুস্থ তার স্ত্রী চিকিৎসা এবং ওষুধ খরচ মেটানো অনেক কষ্টসাধ্য বিষয়। ঘরের অবস্থাও অনেক খারাপ। বাতাস এলেই ঘরটি নড়তে থাকে, ভয়ে থাকি কখন যেন মাথা গোজার শেষ আশ্রয়টুকু ভেঙে পড়ে যায়। বৃষ্টি হলেই ঘরের মধ্যে পানি পড়ে ভিজে যায় সবকিছুই। শীতের সময় এলে শীতবস্ত্র ও শীত নিবারণের কোন গরম কাপড় না থাকায় চটের বস্তা গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হয়। খাবার ব্যবস্থা ও স্ত্রী ওষুধের খরচ মিটালে অন্যদিকে টাকা খরচের আর কোন উপায় থাকে না।” এমন কথা গুলোই আবেগাপ্লুত হয়ে জানালেন মামুন। বর্তমানে ঝুপড়ি ঘরের বেড়া না থাকায় তীব্র শীতে চরম কষ্টের শিকার হচ্ছেন তারা। বৃষ্টির দিনে ঘরে পানি পড়ে সবকিছু ভিজে যায়। তাদের কষ্টের কথা স্থানীয় মেম্বার মাসুম মৃধাকে জানানো হলেও ভিজিবি কার্ড, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ কোন সাহায্য সহযোগিতা তারা পাননি। মামুনের অভিযোগ, হয়তো ঘুষ দিতে পারি নাই তাই ভিজিবি কার্ড, প্রতিবন্ধী ভাতা, ঘর পাই নাই। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শারমিন ও মামুন স্কুল পড়––য়া মেয়ে মারিয়া আক্তার সরকার এবং বিত্তশালীদের কাছে একটি ঘর ও দু’মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকার জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

Check Also

সরকারি রাস্তা দখল করে মণিরামপুরে পাঁকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

মণিরামপুর প্রতিনিধি: মণিরামপুরের কোনাকোলা বাজারে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তার জমি দখলের পর পাকা স্থাপনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *