Home / প্রধান সংবাদ / অভিনেত্রী শর্মিলী আহম্মেদ ৭৪ তম শুভ জন্মদিন ‘শুভ জন্মদিন’

অভিনেত্রী শর্মিলী আহম্মেদ ৭৪ তম শুভ জন্মদিন ‘শুভ জন্মদিন’

অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ: উজালা থেকে এক পৃথিবী প্রেম অভিনয় জগতের অনেক রুচিশীল অভিনয়শৈলীর জয়িতারা লুকিয়ে আছেন আড়ালে আবডালে। অথচ এক পলক যাদেরকে দেখলেই মনটা আনন্দে ভরে যায়। চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যায় মিষ্টিমুখর হাসি দেখে। তার চোখে-মুখে অপূর্ব মায়া মাতৃ-সুলভ তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রে সার্থক মায়ের চরিত্রে যে কয়জনকে আমরা দেখতে পাই তাদেরই একজন তিনি। জ্ঞানী ও গুনের পুরোধা অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ।সিনেমায় আবির্ভাবের আগে তার ডাক নাম ছিল মাজেদা মল্লিক।

একজন শর্মিলী আহমেদ : শর্মিলী আহমেদ একজন তুখোড় অভিনয় শিল্পী। শুরুর দিকে অল্প সংখ্যক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাংলা সিনেমার জগতে আবির্ভাব তার।তারপর তিনি সিনেমাকে সম্পূর্ণ আলিঙ্গন করে নিলেন। সেই থেকে আজো আমরা তাকে বাংলা সিনেমায় দেখতে পাই। সিনেমায় তার আবির্ভাব ১৯৬৭ থেকে ১৯৭০ সালের মধ্যে। অভিনয়ের প্রথম চারটি বছর নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করলেও ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত করেন ভিন্ন সত্তায়। তার মধ্যে রয়েছে কোমলময়ী, আদরিনী মা চরিত্র, খালা কিংবা ভাবি চরিত্র। সেই থেকে শুরু। আজকাল দাদী চরিত্রেও তিনি অসাধারণ অভিনয় করছেন। আজো তিনি তার অভিনয় দিয়ে আমাদের চলচ্চিত্রের আকাশে হয়ে রয়েছেন এক উজ্জ্বল তারা রূপে।দর্শকরা তাকে মা রূপে গ্রহণ করেন অন্তরের অন্তরস্থল থেকে। তিনি ই তো আমাদের চলচ্চিত্রের এক আদর্শ মা।

জন্ম বৃত্যান্ত ও বেড়ে উঠা : ১৯৪৭ সালের ৮ ই মার্চ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলুড় চক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শর্মিলী। মুর্শিদাবাদের এই ঐতিহাসিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠা তার। শর্মিলীর শৈশবের সোনালী স্মৃতিগুলো সারাটি জীবন জড়িয়ে আছে নবাব সিরাজ উদ দৌলা, আলেয়া, মীর জাফর তাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর স্পন্দন ও স্পর্শতা নিয়ে।

বাংলা সিনেমায় শর্মিলীর আবির্ভাব : শর্মিলীর বাবা একজন গুণী প্রযোজক ও শিল্পোদ্রষ্টা ছিলেন। তার সঙ্গে সেই সময়কার জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক আব্দুল জব্বার খান, মহিউদ্দিন, আলী মনসুর ,কামাল আহমেদ প্রমুখের সাথে চেনাজানা ও আঁতাত ছিল। ১৯৬২ সালে রাজশাহী বেতারে অডিশন দিয়ে প্রথম অভিনয় করেন ‘তৈমুর লং নাটকের নায়িকা চরিত্রে। শর্মিলীর বাবা এই নাটক প্রযোজনা করেন। তখন শর্মিলী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন তুখোড় ছাত্রী। তিনি সেখানে “বাংলা” বিষয়ে পড়ছিলেন। ১৯৬৬ সালে পরিচালক কামাল আহমেদ শর্মিলীর বাবাকে অনুরোধ করেন শর্মিলীকে তার ছবিতে অভিনয় করতে দেয়ার জন্য। চলচ্চিত্রের নাম “উজালা”। ঠিক একই সময়ে তার বাবার ব্যবসায়ী বন্ধু বজলুর রহমান ‘ঠিকানা’ ছবিতে নায়িকা হিসেবে নিতে চাইলেন। এভাবেই শুরু হয়েছিল পথচলা।

বৈবাহিক জীবন ও পার্শ্ব -চরিত্রে যোগদান : ১৯৬৮ সালে শর্মিলী প্রযোজক-পরিচালক রকিব উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। সে সময় থেকেই তিনি শর্মিলী আহমেদ নামে সবার মাঝে পরিচিত হন। এক সময় নিজের কারণে নায়িকা থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।তিনি শুরু করলেন পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়।

এ প্রসঙ্গে এক সাপ্তাহিক- এর সঙ্গে আলাপকালে শর্মিলী আহমেদ বলেন, ‘আমি এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ টি নাটকে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। বাংলা চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় ১৪০টি। অভিনেতাদের মুখ থেকে মা ডাক শুনতে ভালো লাগে। মা না হলে এ অনুভূতি উপলব্ধি করা অসম্ভব। আমি এভাবে সবার মা হয়ে আজীবন বেঁচে থাকতে চাই।’

ফিল্মোগ্রাফি : এই সময় পর্যন্ত শর্মিলী আহমেদ অভিনীত বাংলা ছবির সংখ্যা প্রায় দেড়শ পেরিয়েছে।তার অভিনীত বাংলা চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্যেখযোগ্য নাম । উজালা, ঠিকানা, মালঞ্চ, আবির্ভাব (১৯৬৮), পলাতক, জুগনু (১৯৬৮), আলিঙ্গন (১৯৬৯), আগুন (১৯৭৬), রুপালি সৈকতে (১৯৭৭), বসুন্ধরা (১৯৭৭), আরাধনা (১৯৭৯), এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৮০),আশার আলো (১৯৮২, প্রেমিক (১৯৮৫), দহন (১৯৮৫), স্ত্রীর পাওনা (১৯৯১), ত্যাগ (১৯৯৩), ইতিকথা (১৯৯৪), বিক্ষোভ (১৯৯৪), প্রেম যুদ্ধ (১৯৯৪), তোমাকে চাই (১৯৯৬), কুসুম কলি, ঘটনা সামান্য (১৯৯৭), বেনাম বাদশাহ, হাঙ্গর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭), এখনো অনেক রাত (১৯৯৭), কাজের মেয়ে (১৯৯৯), শরৎ ৭১ (২০০০), নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি (২০০১), মিলন হবে কত দিনে (২০০১), মাটির ফুল (২০০৩), আমার স্বপ্ন তুমি (২০০৫), চাচ্চু (২০০৬), না বলোনা (২০০৬), ঝন্টু মন্টু দুই ভাই (২০০৭), স্বামী নিয়ে যুদ্ধ (২০০৮), আকাশ ছোয়া ভালোবাসা (২০০৮), টিপ্ টিপ্ বৃষ্টি (২০০৮), গোলাপি এখন বিলাতে (২০১০), মাটির ঠিকানা (২০১১), মনের জ্বালা (২০১১), মেহেরজান (২০১১), সে আমার মন কেড়েছে (২০১২), ৭১ এর মা জননী (২০১৪), আকাশ কত দূরে (২০১৪), প্রেম করবো তোমার সাথে (২০১৪), স্বর্গ থেকে নরক (২০১৫), অচেনা হৃদয় (২০১৫), এক পৃথিবী প্রেম (নির্মানাধীন)

নাটক এ “শর্মিলী আহমেদ “ শর্মিলী আহমেদ এ পর্যন্ত প্রায় চার শ’ নাটক এ অভিনয় করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু নাম : রূপা, দম্পতি, লকেট, আমাদের আনন্দ বাড়ি (২০০৫), বৃষ্টির পরে (২০০৫), স্বপ্ন পূরণ, দহন, আগন্তুক (২০০৫), পোশাক (২০০৫), আঁচল (২০০৬), চেনা মানুষের পাঁচালি (২০০৭), ধূপছায়া (২০০৯), উপসংহার (২০১০),পাগল মেয়েটি, তুমি জল, এসো হাত ধরি, সারাবেলা, পৌষ ফাগুনের পালা (২০১১), অচেনা অতিথি, ছেলেটি (২০১১), ফুলের মতো নাম, এখনো মুষল ধারে বৃষ্টি ঝরে, ভালোবাসা মন্দবাসা, আকাশের ওপারে আকাশ, বেলা শেষের গান, বাক্স বন্দি, সব পাখি ঘরে ফিরে, গোধূলি বেলায়, আবার হাওয়া বদল (২০১৪) ।

নায়িকা থাকা অবস্থায় প্রথম মায়ের চরিত্রে অভিনয় করলেন ১৯৭৬ সালে “আগুন” ছবিতে।এই ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি এক সারা জাগানো আবহ তৈরী করেন। দর্শক আজ তার অভিনয় ভুলতে পারেনি। তারপর মমতাময়ী মায়ের রূপে হামেশাই টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে হাজির হয়েছেন শর্মিলী আহমেদ। তার এ পর্যন্ত প্রায় দেড় শ ছবিতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এ কারণে তিনি জাতীয় মায়ের একটা অনানুষ্ঠানিক উপাধি পেয়ে গেছেন। “আগুন ” ছাড়াও ‘আবির্ভাব’, ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড , “এখনো অনেক রাত” প্রভৃতি ছবিতে মায়ের অভিনয়ের কারণে দর্শক মহলে প্রচুর প্রশংসা পেয়েছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৩’শ টি নাটকে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

আজীবন সম্মাননায় অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ : এবার আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ। ‘ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লি.-বিনোদন ধারা পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৩’ এর পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে তিনি এই সম্মাননা অর্জন করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব এমপি (প্রধান অতিথি), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ও ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার চেয়ারম্যান সৈয়দ বোরহান কবীরের হাত থেকে শর্মিলী আহমেদ আজীবন সম্মাননা গ্রহণ করেন l

আজীবন সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে শর্মিলী আহমেদ বলেন ,‘ বিষয়টি নিশ্চয়ই আমার কাছে অনেক ভালোলাগার। কারণ একজন শিল্পী হিসেবে আজীবন কাজই করে গেছি। বিনিময়ে দর্শকের ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চাইনি। কোন সংগঠন কর্তৃক আজীবন সম্মাননা শিল্পীর কাজের স্পৃহাকে যেমন বাড়িয়ে দেয় ঠিক তেমনি ব্যক্তি জীবনে চলার পথকে অনেক বেশি মসৃনও করে তোলে। আমি সত্যিই আজ আনন্দিত।’
সম্প্রতি অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদকে দেশের সব মায়ের প্রতিনিধি হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং তাকে পুরষ্কৃত করা হয় কেননা তিনি ছোট এবং বড় পর্দার মধ্যে প্রায় চার দশক ধরে তার ভূমিকাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে মাতৃত্বের মুখোমুখি হয়েছেন।শর্মিলী আহমেদ আয়েশা মেমোরিয়াল স্পোশালাইজড হসপিটালের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন।

“শর্মিলী আহমেদ” এর যোগ্য উত্তরসূরি : দর্শক নন্দিত অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ এর যোগ্য উত্তরসূরি এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তনিমা আহমেদ। মায়ের হাত ধরে মেয়ের অভিনয় জগতে পদচারণা। তনিমা আহমেদ এর অভিনয়ে যাত্রা শুরু একটি অসম প্রেমের গল্প নির্ভর নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। তখন সবে মাত্র দশম শ্রেণীর ছাত্রী সে। এই নাটকে তনিমার বিপরীতে অভিনয় করেন গুণী অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর। নাটকটি রচনা করেছিলেন মমতাজউদ্দীন আহমদ এবং নির্দেশনা দিয়েছিলেন নওয়াজেশ আলী খান। এরপর থেকে বহু নাটকে অভিনয় করেন তনিমা। তবে মায়ের মতো অতটা গভীর অভিনেত্রী হিসেবে তাকে কখনোই পাই নি।

ডাবিং শিল্পী হিসেবেই এখনো তার পরিচয় বেশি। দীর্ঘ এই শিল্পী জীবনে বেশ কয়েকবার বিজ্ঞাপনে মডেল হবার প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোন প্রস্তাবেই তিনি সাড়া দেননি। কারণ মনের মতো ছিলোনা একটি প্রস্তাবও। তবে এবার আশফাক বিপুলের প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে পারেননি তনিমা আহমেদ।তনিমা আহমেদ একজন ডাবিং শিল্পী হিসেবে অপু বিশ্বাসের প্রতিটি চলচ্চিত্রেরই ডাবিং করেন। অর্থাৎ দর্শক পর্দায় অপু বিশ্বাসের যে কন্ঠ শুনেন তা তনিমা আহমেদরই কন্ঠ। সম্প্রতি গ্রামীণ ফোনের নতুন একটি অফারের বিজ্ঞাপনে শেষ পর্যন্ত মডেল হয়ে কাজ করেন তনিমা ।তনিমা আহমেদ এটিএন বাংলায় প্রচার চলতি মাসুদ মহিউদ্দিন পরিচালিত ধারাবাহিক নাটক ‘নির্বিকার মানুষ-এ নিয়মিত অভিনয় করছেন।

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ওয়াহিদা মল্লিক জলি শর্মিলী আহমেদের আপন ছোট বোন। এই সময়ের ব্যস্ততা বর্তমান সময়ে অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদ বহুমুখী সত্তার পরিচয় দিয়েছেন।সম্প্রতি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এর ছবি “আকাশ কত দূরে ” তে টোকাই ছেলে বিচ্ছুর দাদীর চরিত্রে অভিনয় করে সবাইকে তাক লাগিয়েছেন। এখানে আমরা দাদু চরিত্রে দেখতে পাই আরেক জন জনপ্রিয় নায়ক নায়ক রাজ রাজ্জাক কে। বহুদিন পরে এই দুই জনকে একসাথে ছবিতে দেখতে পেয়ে দর্শকদের ভালোই লেগেছে। ছবিটির গল্প ও নির্মাণ শৈলী বেশ পরিচ্ছন্ন ও অনবদ্য। আরো নতুন নতুন ছবিতে আমরা পাচ্ছি প্রিয় মুখ শর্মিলী আহমেদ কে।

বর্তমানে শর্মিলী আহমেদ চলচ্চিত্রে অভিনয় ছাড়াও উপস্থাপনা, মডেলিং, বিশেষ অতিথি নানা রকম বর্ণাঢ্য জীবন ধারায় নিজেকে সংযুক্ত করেছেন। সম্প্রতি ‘মা দিবস’ উপলক্ষে নির্মিত বিশেষ একটি অনুষ্ঠান ‘আমার মা আমার পৃথিবী’ উপস্থাপনা করেছেন তিনি। বেশ কিছু বিজ্ঞাপনেও মডেল হয়েছেন তিনি।লেজারভিশনের ব্যানারে প্রবাসী কণ্ঠশিল্পী তানভীর শাহিনের ‘মনের বন্দরে’ শীর্ষক একক অ্যালবামের ‘মা’ গানটিতে সমপ্রতি মডেল হয়েছেন শর্মিলী আহমেদ। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কথায় গানটির সুর করেছেন আলাউদ্দিন আলী ও সংগীত করেছেন শওকত আলী ইমন। গানটির মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছে মোশন প্লানেট। পরিচালনায় ছিলেন শিমূল হাওলাদার। এদিকে শর্মিলী আহমেদ শিমূলের নির্দেশনায় প্রথমবারের মতো কাজ করলেন ‘মা’ শিরোনামের এই মিউজিক ভিডিওতে। এর শুটিং হয়েছে আমেরিকা ও বাংলাদেশের বিক্রমপুরে। গানটিতে তানভীর শাহিনের মা হিসেবে দেখা যাবে শর্মিলী আহমেদকে।

চ্যানেল আই তে প্রকাশিত মিউজিক ভিডিও “খোকা ফিরবে ,খোকা ফিরবে ” . এই গানটির গায়িকা কোকিলকণ্ঠী সাবিনা ইয়াসমিন। এই গানের অপূর্ব সংমিশ্রণ হয়েছে শর্মিলী আহমেদ এর অভিনয়ের সাথে। যে কেউ মননশীল মন দিয়ে মিউজিক ভিডিওটি দেখলে আবেগ ধরে রাখতে পারবে না বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

Check Also

রূপগঞ্জের সেজান জুস কারাখানায় অগ্নিকাণ্ড: লাশের অপেক্ষায় স্বজনরা

রূপগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেজান জুসের কারাখানায় অগ্নিকাণ্ডে মৃত ২৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *